কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ১২:০৮ PM
কন্টেন্ট: পাতা
(১) সংশিষ্ট এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সমন্বয়ে সরকারী পতিত ভূমিতে বনায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন। (২) সামাজিক বনায়নের সৃজিত বাগান হইতে বিক্রিত বনজদ্রব্যের লভ্যাংশ বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্টগনের মধ্যে বিতরণ ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ। (৩) ট্রি ফার্মিং ফান্ড দ্বারা ২য় আবর্তের বাগান সৃজন ও রক্ষনাবেক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহণ। (৪) সামাজিক বনায়ন সংক্রান্ত যে কোন অভিযোগ নিষ্পত্তি করণ। (৫) বিনামূল্যে সরকারী, আধাসরকারী ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে বনায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন। (৬) ব্যক্তিমালিকানাধীন ভূমিতে আবেদনের প্রেক্ষিতে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা-২০০৪ অনুযায়ী বনায়নে সহযোগিতা প্রদান। (৭) বনজদ্রব্য বিক্রয় করণ। (৮) বন বিভাগের নার্সারীতে বনজ, ফলদ, ঔষধি ও শোভা বর্ধনকারী গাছের চারা সরকারী মূল্যে জনগনের মধ্যে বিক্রয়। (৯) জনগণকে বীজ সংগ্রহ, নার্সারী উত্তোলন, বাগান সৃজন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং চারা পরিচর্যা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও কারিগরি পরামর্শ প্রদান। (১০) বন্য প্রাণী লালন-পালনের পজেশন সার্টিফিকেট প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। (১১) অবৈধ বনজদ্রব্য এবং বন্য প্রাণী পাচার রোধে বিধি মোতাবেক কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ। (১২) সরকারী, আধাসরকারী জায়গায় অধিগ্রহণ/উন্নয়নমূলক কাজের স্বার্থে গাছ পরিমাপ করত: প্রাক মূল্য নির্ধারণ। (১৩) বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করণের লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে বৃক্ষমেলার আয়োজন। (১৪) বৃক্ষরোপণে জনগণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার প্রদানের আবেদন সংগ্রহ ও প্রক্রিয়া করণ। (১৫) সরকারী বিধি মোতাবেক করাতকলের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ। বন আইন- ১৯২৭, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষন) (সংশোধন) আইন- ১৯৭৪, করাতকল লাইসেন্স বিধিমালা -১৯৯৮ ও ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯১ এর বাস্তবায়নে ব্যবস্থা গ্রহণ।
|